spoken english

দীর্ঘ ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে যেহেতু কিডস টাইম শিশুদের ফিউচার স্কিল ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করছে, তাই প্রায় কয়েক হাজার প্যারেন্টসদের সাথে আমাদের সরাসরি তাদের শিশুদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলার সুযোগ হয়েছে।

কিডস টাইমে কোর্স করছে এমন এক শিশুর মা, তানজিলা ইসলামের সাথে কথা বলে আমরা জানতে পারি যে, উনি তার বাচ্চাকে খুব ভালো একটি স্কুলে ভর্তি করাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু করাতে পারেন নি কারন তার শিশু ইংরেজিতে বেশ ভালো রকম দুর্বল। তার শিশু ইংরেজি পড়তে পড়তে পারলেও, ভালো মতো বলতে বা বুঝতে পারে না।

ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলা, ইংরেজি কথা বোঝা, ভালো স্কুলগুলোতে ভর্তি হবার প্রথম অলিখিত শর্তের  মধ্যে একটি । একটা সময় ছিল যখন কাজ চালানোর মতো ইংরেজি জানা থাকলেই হতো। কিন্তু ২০২৩ সালে এসে ইংরেজিটা বাংলার ভাষা জানার মতো করেই জানতে হচ্ছে। তাই শিশুর বয়স ৪-৮ এর মধ্যে হলেই ইংরেজি শেখানটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চলুন জেনে নেই আপনার শিশুর জন্য ইংরেজি শেখা কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ

ব্রেইনকে করে শার্প

দ্বিতীয় আরেকটা ভাষা শেখার কারণে শিশুদের অল্প বয়সে ব্রেইন শার্প হয়ে উঠে। সে অন্য বিষয়েও দক্ষতা বাড়াতে পারে। আর অনলাইনে যেহেতু শিশুদের সব ভালো কনটেন্ট ইংরেজিতে, তাই নতুন কিছু শিখতে গিয়েও তার ইংরেজি বোঝার এবং বলার দক্ষতা কাজে আসে।

ইংরেজি ভাষার সাথে ফরাসি, জার্মান ভাষার অক্ষর, উচ্চারণে মিল আছে। তাই পরবর্তিতে অন্য ভাষা শেখার জন্যও ইংরেজি ভালো কাজে আসে।

Kids Time Joy School English

ভালো স্কুল এবং বিদেশি নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে কাজে আসে

দ্বিতীয় আরেকটা ভাষা শেখার কারণে শিশুদের অল্প বয়সে ব্রেইন শার্প হয়ে উঠে। সে অন্য বিষয়েও দক্ষতা বাড়াতে পারে। আর অনলাইনে যেহেতু শিশুদের সব ভালো কনটেন্ট ইংরেজিতে, তাই নতুন কিছু শিখতে গিয়েও তার ইংরেজি বোঝার এবং বলার দক্ষতা কাজে আসে।

ইংরেজি ভাষার সাথে ফরাসি, জার্মান ভাষার অক্ষর, উচ্চারণে মিল আছে। তাই পরবর্তিতে অন্য ভাষা শেখার জন্যও ইংরেজি ভালো কাজে আসে।

উন্নত দেশে ইমিগ্রেশন

ছাত্রজীবনে বাইরে যেতে না পারলেও পরবর্তীতে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো জায়গায় ইমিগ্রেশনে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সেটা দেশের থেকে সরাসরি কাজ নিয়েও যাওয়া যায় কিংবা পরিবার নিয়ে সরাসরি মাইগ্রেট করার ব্যাপারে হলেও। আপনার শিশু এখন বিশ্ব নাগরিক হিসাবে জন্ম নিচ্ছে। দেশের গন্ডি পার হয়ে ভাবার সুযোগ তৈরি করতে অল্প বয়স থেকেই বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতে দক্ষ করে গড়ে তোলা খুবই প্রয়োজনীয়।

নিজের ক্যারিয়ার এবং নিজেকে মেলে ধরতে সাহায্য করে

কমিউনিকেশনের দিক থেকে আমাদের পার্শ্ববর্তী শেষ ভারত সব থেকে এগিয়ে। তাই গুগল, মাইক্রসফটের মতো বড় বড় সব কোম্পানিগুলোর লিডিং পজিশনে ভারতীয়রাই বেশি।

তাহলে কি এই লিডিং পজিশনের কর্তা বাক্তিরা খুব ভালো ইঞ্জিনিয়ার বা প্রোগ্রামার?

একটি সমীক্ষা জানিয়েছে, শতকরা ৯৭ জন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারদের ইংরেজি ভাষায় তেমন দক্ষতা না থাকায় তাঁদের স্বপ্নের চাকরি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে দ্রুত৷

তাহলে চিন্তা করে দেখুন কমিউনিকেশনের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশটির এই এমন অবস্থা হলে বাংলাদেশ কতটা পিছিয়ে আছে।  তাই বড় বড় কোম্পানিতে ইংরেজি দক্ষতা অর্থাৎ কমিউনিকেশন দক্ষতা যার যত বেশি ভালো, সে তত দ্রুত লিডিং পজিশনে যেতে পারছে। 

বাড়ে উপার্জন

যারা ইংরেজিতে ভালো কথা বলতে পারে, তারা অন্যদের চেয়ে ৫০% পর্যন্ত বেশি উপার্জন করে। এটা মন গড়া কোন তথ্য না, World Economic Forum ২০১৭ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, যারা ভালো ইংরেজি বলতে পারে অর্থাৎ Spoken English যাদের ভালো তাদের আয় ইংরেজি ভালো ভাবে বলতে না পারাদের চেয়ে ৫০% বেশি। (সুত্রঃ World Economic Forum)

২০১৭ সালেই যদি ইংরেজি জানাদের আয় ৫০% বেশি হয় তাহলে,  একবার ভেবে দেখুন, আপনার শিশু যখন জব মার্কেটে প্রবেশ করবে তখন ইংরেজিতে কথা বলা বা ইংরেজি জানাটা কতটা জরুরী।

যেহেতু নতুন যে কোন বিষয় শেখার সবচেয়ে উপযোগী বয়স হচ্ছে ৪-৮ বছরের মধ্যে, তাই এই বয়সেই শিশুকে ইংরেজিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে সেটা হবে অভিভাবক হিসাবে আপনার সবচেয়ে ভালো ইনভেস্টমেন্ট।

কেন আমাদের দেশের অধিকাংশ শিশুই ইংরেজিতে সাবলীল এবং সঠিক একসেন্টে কথা বলা শিখতে পারছে না?

নতুন যে কোন কিছু শেখাই শিশুদের কাছে আনন্দের। কিন্তু এই শেখার আগ্রহটা আস্তে আস্তে কমে আসে।ইংরেজি শিক্ষার ক্ষেত্রেও, প্রথম দিকে এটা খুব আনন্দের ঠিকই, তবে সময়ের সাথে সাথে শিশুর কাছে এই বিষয়টি মোটেও আনন্দের থাকে না।

সাবলীল এবং সঠিক একসেন্টে ইংরেজি না শিখতে পারার অনেকগুলো কারন আছে। তার মধ্যে- 

১. যাদের মাধ্যমে ইংরেজি শিখছে তাদের Spoken English স্কিল এবং English Accent ভালো না। অর্থাৎ আমাদের দেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকই  যেহেতু বাংলা ভাষা-ভাষীর তাই তারা শিশুদের ইংরেজিতে শুধু কথা বলাটাই শেখায় কিন্তু প্রপার স্পোকেন ইংলিশ বা English Accent শেখাতে পারে না। 

২. Spoken English শেখা যেহেতু Practise করার বিষয়, তাই যে যত  Practise করবে তত ভালো ইংরেজি বলতে পারবে। শিশুরা যেহেতু খুব বেশি Practise করার সুযোগ পায় না,তাই তাদের ইংরেজিতে সাবলীল ভাবে কথা বলা শেখাটা অধরাই রয়ে যায়। 

৩. Spoken English যে প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষিকের কাছ থেকে শিশু শিখছে তার অধিকাংশই Interactive, Interesting বা Engaging না। গদ বাধা কিছু বই বা সীট থেকে পড়িয়ে থাকে। তাই যা হবার তাই হয়। শিশু প্রথম দিকে খুব আগ্রহ নিয়ে শেখা শুরু করলেও  কিছু দিন পরেই তার আগ্রহ কমতে থাকে এবং এক সময় Spoekn English শেখাটাই ছেড়ে দেয়।    

তাহলে সমাধান?

শিশুর ৪-৮ বছর বয়সটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারন শিশুদের প্রয়োজনীয় বেসিক বিষয়গুলো শেখার এটা সবচেয়ে ভালো সময়। আমাদের দেশে ইংরেজি শেখার বেশ কিছু ভালো প্রতিষ্ঠান বা মাধ্যম আছে।

Interactive এবং Entertaining ,Engaeging উপায়ে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান “JSE Spoken English” কিডস টাইমের মাধ্যমে বাংলাদেশে গত ৩ বছর ধরে প্রায় ৩০০০+ শিশুকে  সরাসরি আমেরিকানদের কাছ থেকে  স্পোকেন ইংলিশ শেখাচ্ছে।

তাই আপনার শিশুর Spoken English যদি শিখতেই হয়, তাহলে প্রপার একসেন্টে আমেরিকানদের কাছ থেকেই শিখুক। 

JSE Spoken English সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের ছবিতে।

Kids Time Parent Support Expert-এর সাথে কথা বলতে কল করুন