fbpx

Select Your Favourite
Category And Start Learning.

শিশুর জেদঃ কারণ এবং করনীয়

শিশুদের মাঝে অতিরিক্ত জেদ একটি কমন সমস্যা। শিশুদের অনেকগুলো আচরণের মাঝে ‘জেদ ধরা’ একটি কমন সমস্যা। ছোটবেলার সবার এটেনশন পাওয়ার জন্য অনেক সময় শুরু হয় এই ‘জেদ ধরা’ ব্যাপারটি। অনেক বাবা-মা শিশুদের এই জেদ কন্ট্রোলের মাঝে নিয়ে আসতে পারেন। অনেকেই আবার বুঝতে পারেন না আসলে কি করা উচিৎ।

জেদ ধরা এবং এর পাশাপাশি রাগ করে বিভিন্ন জিনিস উল্টাপাল্টা করা আজকাল একটা কমন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের মধ্যে। অল্প বয়স থেকেই এটিকে দমন না করতে পারলে ভবিষ্যতে আরও খারাপ সমস্যায় পড়বেন আপনি। চলুন দেখে নেই ‘জেদ ধরা’ এবং এটি কমাতে আপনার করনীয় কি।

জেদের তিনটি প্রধান কারন হলঃ

১। জেদ এর কারনে তার চাওয়াটা যখন পূরণ হয়ে যায় তখন পরবর্তিতে আবারও সে কিছু পাওয়ার জন্য জেদ দেখায়।

২। বাবা-মাকে পর্যাপ্ত সময় ধরে কাছে না পেলে শিশুরা অনেক সময় জেদ দেখায়।

৩। এছাড়াও পরিবেশ বা আশেপাশের অনেকের আচরণ দেখেও শিশুরা জেদ করাটা শেখে।

জেদ কমাতে আপনি যা করতে পারেনঃ

১। আপনাকে আপনার শিশুর সাথে আচরণের ধরণ পরিবর্তন করতে হবে।মনে রাখবেন আপনি তার আচরণ নিয়ে চিন্তিত এবং অবশ্যই এটা নিয়ে আলোচনা করুন তার সাথে। একসাথে  কাজ করুন তার এই আচরণ পরিবর্তনের জন্য। সন্তানের যেটা প্রোয়োজন সেটা তাকে দিন আর যা চাওয়া তার জন্য অপেক্ষা করতে শেখান। এতে তার জেদ কমবে।  

২। পর্যাপ্ত সময় দিন আপনি আপনার শিশুকে। তার সাথে গল্পের বই পড়া,ছবি আঁকা বা বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করুন। আর ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন।

৩। উৎসাহিত করুন আপনি আপনার শিশুকে।শিশুরা তাদের আশেপাশের সবাইকে দেখে উৎসাহিত হয়।তাদের কথা, আচরণ আর সবকিছুই শিশুরা অনুসরণ করে।নিজেদের কাজ আর বিভিন্য ভালো ঘটনাগুলো শেয়ার করুন তাদের সাথে। এতে তার জেদ কমবে।

জেদ, শেয়ারিং বা অন্যের সাথে ঠিকভাবে কথা বলা এমন বিভিন্ন আচরণগুলো নিয়ে কাজ করে Kids Time. শিশুদের creativity বাড়ানোর পাশাপাশি তার মানসিক বিকাশে এবং আচরণগত উন্নয়নে কাজ করতে আমরা ঢাকায় ইতিমধ্যে ৮ টি সেন্টার চালু করেছি।

আমাদের সেন্টার ভিজিট করতে ক্লিক করুন উপরের ছবিতে অথবা কল করুন এই নাম্বারেঃ 01771577494

শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং একাদেমিক বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে ভিন্নধর্মী সব বই খুঁজে নিন নিচের ছবিতে ক্লিক করে।