fbpx

Select Your Favourite
Category And Start Learning.

Kids Time শিশুদের উপহার দিচ্ছে আনন্দভরা একটি শৈশব

এমন যদি একটা স্কুল থাকতো যেখানে কোন লেখাপড়া নাই? শিশুরা এসে নিজে নিজে গল্প বানানো শিখবে, আবার সেই গল্পের বইয়ের ছবিও আঁকবে নিজে নিজে। এরপর হয়ে যাবে তার নিজের একটা গল্পের বই। আবার কখনও বা ৫-৬ জন মিলে সেই গল্পকে ঘিরেই করে ফেলবে একটা পাপেট শো। এমন একটা স্কুল যেখানে শিশুরা শিখবে কিভাবে প্লাস্টিকের বোতল থেকে বানানো যায় কলমদানি, কিংবা মোজা দিয়ে পাপেট অথবা আইসক্রিমের কাঠি দিয়ে প্লেন। শিশুদের জন্য সেটা হত স্বপ্নের এক স্কুল।

তবে Kids Time এর উদ্যোগে করা সেন্টারগুলো এরকম স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ দিয়ে ফেলেছে। এবং সেটা হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশেই। ছুটির দিনগুলোতে Kids Time এর সেন্টারে ঘুরতে গেলে এমন দৃশ্যই চোখে পড়বে। একটা রুমে ২০ জনের মত শিশু। সবার বয়স ৪-১০ বছরের মধ্যে। কোনদিন হয়তো তারা নিজের বানানো গল্পগুলোর প্রচ্ছদ বানাচ্ছে, কোনদিন হয়তো কাগজ কেটে বানাচ্ছে মাছ। আবার কোনদিন বিজ্ঞানের মজার কোন পরীক্ষা চালাচ্ছে সবাই মিলে। আর এভাবেই নিজেদের সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াচ্ছে। অপরের সাথে শেয়ার করা, দলে কাজ করতে শেখা ইত্যাদি স্কিলগুলোও বাড়াচ্ছে।

ঢাকা শহরে দিন দিন যেন শিশুরা তাদের শৈশব হারিয়ে ফেলছে। ৩ বছর বয়স হলেই স্কুলে দেয়ার তোড়জোড় শুরু হয়। পড়াশুনা, কোচিং আর প্রাইভেট শিক্ষকের চাপে শিশুরা আনন্দ করতে, হাসতে, খেলতে ভুলে যাচ্ছে। নিজের মতো স্বাধীনভাবে ইচ্ছামতো কাজ করার আর আনন্দ করার সুযোগও নেই শিশুদের। অথচ এই বয়সে এখন যারা অভিভাবক আছেন তারা তাদের শৈশবের কথা মনে করুন তো?

Kids Time এ তাই এমন একটা সুযোগ আমরা শিশুদের দিচ্ছি যেখানে শিশুরা নিরাপদে আনন্দের সাথে নিজের ইচ্ছামতো বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ কাজ করবে। যা কিছু ও চায়, যা কিছু ওর লাগবে সবকিছু দেয়া হয়। ক্লাসে যা কিছু শিশু করবে যা কিছু বানাবে, সবকিছু সে বাসায় নিয়ে যাবে।

বাসায় যেয়েও যেন চাইলে কাজ করতে পারে তার জন্য আমরা তাকে পুরো একটা ক্র্যাফট প্যাকেজ দিয়ে দিচ্ছি ভর্তির সময়। সাথে থাকছে ওর নিজের একটা কার্ড। এটি দিয়ে সে আবার যত খুশি গল্পের বই নিতে পারবে Kids Time সেন্টারগুলো থেকে।

আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান Light of Hope Ltd. এর উদ্যোগে ৪-১০ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে Creativity (সৃজনশীলতা), Problem Solving Skill (সমস্যা সমাধান করার দক্ষতা), এবং Moral Values (মূল্যবোধ) তৈরির লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে KidsTime. প্রথমদিকে কেবল একদিনের ক্র্যাফট কোর্স দিয়ে শুরু করলেও আস্তে আস্তে যুক্ত হয় চমৎকার কিছু কোর্স। এমনই একটা কোর্স হচ্ছে ‘গল্পের বই তৈরি করা’। কোর্সে যেসব শিশুরা ভর্তি হয় তারা বিভিন্ন মজার সব কাজের মাধ্যমে শিখে কিভাবে একটা গল্প লিখতে হয় — চরিত্র তৈরি করা, গল্পের কাঠামো, সমস্যা এবং সমস্যা সমাধান কিভাবে হবে সেটা। গল্প তৈরি হয়ে গেলে নিজেরাই গল্পের প্রতি পাতায় পাতায় ছবি এঁকে ফেলে। সবশেষে কিডস টাইম থেকে সেই গল্পটিকে নিয়ে একটা ই-বুক বানানো হয় এবং সেটি ঠাই পায় তাদের ওয়েবসাইটে। এরপর যেকোনো অভিভাবক চাইলেই সেই গল্পটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে অথবা মোবাইলে তার নিজের সন্তানের সাথে পড়তে পারে। কি মজা তাই না? একটি শিশুর লেখা গল্প পড়তে পাড়ছে আরও হাজার হাজার শিশু।

আমাদের kids time এর বাচ্চাদের আরো গল্প দেখতে ক্লিক করুন ছবিটিতে

শিশুদের লেখা গল্পগুলো ডাউনলোড করা যাবে এই লিঙ্কে গিয়ে – লিঙ্ক

এ রকম মজার মজার কোর্স অফার করছে KidsTime. এক বছরের লম্বা একটা গ্রেজুয়েসন প্রোগ্রাম আছে যেখানে এই কোর্সগুলো করানো হয়। সবশেষে থাকে শিশুদের নিজেদের আয়োজনে একটি গ্রেজুয়েসন প্রোগ্রাম।

KidsTime তাদের নিজস্ব সেন্টারগুলোতে এই কোর্সগুলো অফার করছে ৪-১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য।

গত ২ বছরে ইতিমধ্যে ১০০০ এর বেশি শিশু আমাদের কোর্সগুলো শেষ করেছে। 

ঢাকায় শিশুদের বিনোদনের জন্য তেমন কোন কর্মকাণ্ড হয়না। ছুটির দিনগুলো তাই শিশুদের জন্য বরাদ্দ থাকে রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা নাচের-গানের ক্লাসের জন্য। তাই ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন সবাই তাদের শিশুদের নিয়ে কোর্সগুলোতে আসছেন। আনন্দময় কিছু সময় কাটানোর পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে

Creativity,

Problem Solving Skill এবং

Moral Values

তৈরির কাজটিও যে হচ্ছে এ ব্যাপারটি নিয়ে অভিভাবকরা খুবই খুশি।

বিশ্ব ব্যাংকের একটি তথ্যমতে প্রতি ৫ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের মধ্যে ৪ জন (শতকরা ৮০ ভাগ) ভবিষ্যতে এমন একটি কাজে ঢুকবে যেটির অস্তিত্বই নেই এখন।

বিশ্ব ব্যাংকের একটি তথ্যমতে প্রতি ৫ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের মধ্যে ৪ জন (শতকরা ৮০ ভাগ) ভবিষ্যতে এমন একটি কাজে ঢুকবে যেটির অস্তিত্বই নেই এখন। আবার এখনকার সময় যে জবগুলো আছে তার প্রায় ৩০% জব দুনিয়া থেকেই হারিয়ে যাবে আগামী ২০ বছরের মধ্যে। এমন একটি সময়ে আমরা এখন বাস করছি যখন প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে অনেক কাজ অটোমেটিক হয়ে যাবে। তাহলে আমরা আমাদের শিশুদের কিভাবে প্রস্তুত করবো ভবিষ্যতের জন্য?

ভবিষ্যতে যে ধরণের কাজগুলো আসবে সেগুলো করার জন্য আসলে একাডেমিক বা প্রথাগত বিদ্যার গুরুত্ব তেমন একটা থাকবে না। সে কাজগুলোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্কিলগুলো হল Creativity, Problem Solving Skill and Emotional Intelligence. অথচ আমরা অভিভাবকরা যেমন এই বিষয়টি নিয়ে তেমন সচেতন না, তেমনিভাবে আমাদের স্কুলগুলোতেও এই Skill গুলো উন্নয়নের উপর কোন জোর দেয়া হয় না। KidsTime তাই তাদের কোর্সগুলো চালু করেছে যেন সচেতন অভিভাবকরা তাদের শিশুদের এই স্কিলগুলো বাড়ানোর সুযোগ পায় আর শিশুরাও যেন মজার সব কাজের দ্বারা নিজের অজান্তেই এই স্কিলগুলো আয়ত্ত করে ফেলে।

আপনার যদি ৪-১০ বছর বয়সী কোন শিশু থাকে তাহলে Kids Time কোর্সগুলোতে ভর্তি করতে পারেন।

আমাদের Kids Time সেন্টারগুলোতে আগামী Summer Batch এর ভর্তি শুরু হয়েছে। জুলাই ২০১৯ থেকে সেশন শুরু।

আপনার কাছের সেন্টারে কল করে চলে আসুন শুক্র-শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫ টার মধ্যে।

ছবিতে ক্লিক করে জেনে নিন সেন্টারের ঠিকানা। 

সরাসরি কথা বলুন এই নাম্বারে: ০১৭৭১৫৮৮৪৯৪

Comment List

Leave a comment