Posted on

কিডস টাইম হচ্ছে এমন একটি জায়গা যেখানে শিশুরা শেখে সৃজনশীলতা, গড়ে তোলে নিজের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা। পাশাপাশি গড়ে তোলে নিজেদের Communication Skill. শিশুরা শেখে কিভাবে সুন্দর করে গুছিয়ে বলতে হয়, কাজ করতে হয় একে অপরের সাথে, শেখে সহানুভূতি এবং সহমর্মিতা।

শিশুকে ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা দিয়ে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি আমরা। প্রতিটি শিশুকে তার মানসিকতা তার চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারেই কাজ করা হয়। প্রতি ৪-৫ জন শিশুর জন্য থাকে আমাদের একজন করে Facilitator.

অনেকেই ভাবেন যে আমরা শেখাই কিভাবে ক্র্যাফট বানাতে হয়, কিভাবে ডিজাইনের কাজ করতে হয় বা গল্প লেখা এবং সেটি আঁকা শিখাই। কিন্তু আসলে এগুলো হচ্ছে বিভিন্ন মাধ্যম। সৃজনশীলতা শেখানোর তো কোন বই নেই, নেই কোন সিলেবাস। লেকচার দিয়ে শিশুদের মধ্যে তো আর সৃজনশীলতা বাড়ানো যায় না।

তাই আমরা বেছে নিয়েছি সেইসব টেকনিক যেগুলো শিশুরা ভালোবাসে, স্বেচ্ছায় করতে চায়। গত ৩ বছর ধরে বিভিন্ন উপায়ে গবেষণার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে আমাদের মোট ৪ টি কোর্স। প্রতিটি কোর্স শিশু একের পর এক শেষ করে। যে শিশু ৩ বছর ধরে আমাদের বিভিন্ন কোর্সগুলো শেষ করে, সেই শিশুর মধ্যে যে দারুণ পরিবর্তন আসে সেটির তুলনা হয় না।

অভিভাবকদের চাহিদা আর আমাদের লক্ষ্য

আমরা প্রায়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করি যেটা হল অভিভাবকদের মধ্যে ধৈর্য্যের অভাব। অল্প কয়েকটি ক্লাস করানোর পরই তারা ভাবতে থাকেন যে এই ক্র্যাফট করে কি হবে? কিভাবে এটি আসলে আমার সন্তানের উপকার করছে?

স্কুলে ১ বছর ক্লাস করে আপনার শিশু বর্ণমালা শেখে। আর আমাদের এখানে সপ্তাহে একদিন আসে। মাত্র ৮-১০ টি ক্লাস করিয়েই পরিবর্তন আশা করা যায়না। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে আমরা আসলে ক্র্যাফট শেখাচ্ছি না। আমরা শেখাচ্ছি কিভাবে নিজে থেকে নতুন কিছু তৈরি করা যায় সেটি। নিজে ভেবে নিজের সৃজনশীলতা খাটিয়ে নতুন কিছু একটা তৈরি করতে পারছে সেটি কি ৪-৫ বছর বয়সী একটা শিশুর কাছে অনেক বড় ব্যাপার না?

৬ বছরের একটা শিশু নিজের একটা গল্পের বই তৈরি করে ফেলছে এটি কত বড় ব্যাপার সেটি কখনও ভেবেছেন?

আমাদের কিডস টিমের ববাচ্চাদের তৈরী করা আরো গল্প পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

শিশুদের লেখা গল্প

৭ বছরের কিছু শিশু মিলে একটা পাপেট শো নিজেরা করে ফেলছে এটি কোথাও কখনও দেখেছেন?

এই যে দারুণ সব কাজ শিশুরা করে এবং এগুলো করার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতার যে বিকাশ ঘটে সেটি লক্ষ্য করতে পারবেন কিছুদিন পর থেকে। আমাদের সাথে যেসব অভিভাবক ১-২ বছর তাদের শিশুদের কোর্স করিয়েছেন তারা ব্যাপারটি খুব ভালোমতোই জানেন।

তাই যেসব অভিভাবক আমাদের এখানে শিশুদের দেন বা দিতে চান এই ব্যাপারগুলো আমরা প্রথম থেকেই অবহিত করে রাখতে চাই। তাহলে আপনিও জানবেন আমাদের মূল লক্ষ্য কি এবং কিভাবে সেটি ধীরে ধীরে আমরা অর্জন করবো।

শুরু হচ্ছে নতুন বর্ষ

জানুয়ারি ২০২০ থেকে আমাদের নতুন বর্ষ শুরু হচ্ছে। আমরা জানি অনেক অভিভাবক ৬ মাস এমনকি ১ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন কবে আপনার শিশুর বয়স হবে যেন আমাদের সেন্টারে ভর্তি করাতে পারেন।

তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে আমরা ভর্তি চালু করে দিয়েছি। এই বছর আরও দুটি নতুন সেন্টারও আমরা শুরু করতে যাচ্ছি – মিরপুর এবং শান্তিনগরে। এখনও জায়গা ফাইনাল হয়নি। কিন্তু আমরা Pre-admission নিয়ে নিচ্ছি যেন জানুয়ারি থেকে অন্তত ৬০ জন শিশু নিয়ে আমরা সেন্টার চালু করতে পারি। আমাদের বাকি ৭ টি সেন্টারে ভর্তি শুরু হয়ে গেছে। আপনারা সরাসরি সেন্টারে এসে অথবা আমাদের ধানমণ্ডি মূল শাখায় এসে সন্তানকে ভর্তি করাতে পারবেন।

নিচের ছবিতে ক্লিক করে আপনার কাছের সেন্টারে ভর্তির জন্য তথ্য দিন। আমাদের অফিস থেকে আপনাকে সরাসরি কল করা হবে।