শিশুর মোবাইল আসক্তিঃ কারণ ও করনীয়

শিশুর মোবাইল আসক্তিঃ কারণ ও করনীয়

July 29, 2019 Behavior and Discipline 0

ছোট শিশু আছে কিন্তু তার মোবাইল আসক্তি নিয়ে চিন্তিত নন এমন অভিভাবক এখন খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের সেন্টারে এমন অনেক অভিভাবক পাই যারা তাদের শিশুদের নিয়ে আসছেন যারা স্মার্টফোনে বেশ ভালো রকম আসক্ত। এবং তার কারণে বিভিন্ন ধরণের মানসিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে শিশুদের মধ্যে।

মোবাইলের প্রতি এই আসক্তি কিন্তু নতুন একটা সমস্যা। এবং অনেক অভিভাবক এই বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবেন না। কিন্তু যখন যেয়ে টের পান, ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যায়।

কেন আমাদের সন্তানরা মোবাইলের প্রতি আসক্ত হচ্ছে?

১। মোবাইল আসক্তির প্রধান কারণ শিশুকে বিভিন্ন ধরণের activity তে অংশগ্রহণ না করানো। ঢাকায় পর্যাপ্ত খেলার জায়গার অভাব, অভিভাবকদের সচেতনতা, শিশুর একা একা থাকা ইত্যাদি।

২। মোবাইলের রঙিন স্ক্রিন শিশুদের মস্তিস্কে এক ধরণের আনন্দ অনুভূতির সৃষ্টি করে যা অনেকটা drug এর মতো কাজ করে। এই সময় আমাদের ব্রেইনে dopamine এর উৎপাদন বেড়ে যায়। Dopamine এক ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার যা  মুলত আমাদের দুঃখ-যন্ত্রণা বা স্ট্রেস কমানোর জন্য কাজ করে। তাই একে “FEEL-GOOD HORMONE” ও বলা হয়।  তাই যখন আপনি মোবাইল রেখে দিতে বলবেন তখন সে রাখতে চায় না বা রাখলেও তাতে মন খারাপ হয়।আর মোবাইল আসক্তি আরও বেড়ে যায়।

৩। বাবা-মা নিজে মোবাইল নিয়ে থাকে শিশুর সামনে তাই শিশুরাও অনুকরণ বা আগ্রহী হয়ে ধীরে ধীরে মোবাইলে আসক্ত হয়।   

কিভাবে এই আসক্তি কমানো যাবে?

১। শিশুর সাথে (Quality Time) সময় কাটানো। বাসায় শিশুর সামনে নিজে যত সম্ভব কম নিজে স্মার্টফোনে সময় কাটানোর অভ্যাস তৈরি করা।

শিশুর সাথে quality time কাটানোর জন্য Goofi তৈরি করছে দারুণ সব প্রোডাক্ট – বই, ক্র্যাফট, খেলনা। বিস্তারিত দেখুন নিচের ছবিতে ক্লিক করে।

Goofi products for children
Goofi – best children products for children

২। শিশুর সারাদিনের পুরো সময়টাকে ভাগ করুন এবং বয়স অনুযায়ী তাকে ব্যস্ত রাখুন বিভিন্ন কাজ আর খেলা দিয়ে।

৩। তাকে পড়ালেখা বা কাজের বাইরেও সপ্তাহের নির্দিষ্ট একটি সময় বাইরে নিয়ে যাওয়া যেখানে শিশু বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে পারবে।

কিডস টাইম এটি নিয়ে কিভাবে কাজ করে?

শিশুর সাথে কোয়ালিটি টাইম কাটানোর একটি ভালো মাধ্যম হল ক্র্যাফট ওয়ার্ক করা। শিশুর সাথে অন্যকেও যখন বসে এই ধরণের কাজগুলো করবে তখন শিশুদের পুর্ন মনোযোগ থাকে এই কাজগুলোর প্রতি।

নিজেই যখন সুন্দর একটি কিছু বানায় তখন শিশুর মাঝে নিজে ক্রিয়েটিভ কাজ করার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তখন সে সময় পেলেই মোবাইল নিয়ে না বসে ক্রিয়েটিভ কাজে আগ্রহী হয়।

আমাদের ক্লাসরুমগুলোতে শিশুরা তাদের নিজেদের ইমাজিনেশন কাজে লাগিয়ে ক্রিয়েটিভ কিছু একটা তৈরি করে। তাই সে যখন কিছু একটা বানিয়ে সবার প্রশংসা পায় তখন নিজে নিজে কাজ করার উৎসাহ আরও অনেক বেড়ে যায়। বাবা-মার জন্মদিনে বা ভাই-বোনকে উপহার দেয়ার মত আনন্দময় কাজগুলোতে সে তখন ব্যাস্ত হয়। মোবাইলের আর প্রয়োজন হয়না তার। 

আপনার শিশুকে সৃজনশীল হিসাবে গড়ে তোলা এবং সুন্দর সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করে দেয়ার জন্য কাজ করছি আমরা। আপনার শিশুকে নিয়ে আমাদের সেন্টারে চলে আসতে পারেন রেজিস্ট্রেশন করে।

রেজিস্ট্রেশন করতে ক্লিক করুন নিচের ছবিতে।

আমাদের সেন্টারগুলোর ঠিকানা এবং নাম্বার জানতে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে।

Kids Time Center Address

 

Get parenting article to your inbox

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

Kids Time will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.