শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলার ‘অভিভাবক গাইড’

শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলার ‘অভিভাবক গাইড’

May 28, 2018 Parenting 0

আপনার যদি ৩-৮ বছর বয়সী কোন শিশু থাকে তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য। এখানে আমরা দেখিয়েছি কিভাবে আপনি আপনার ৩-৮ বছর বয়সী শিশুকে সাহায্য করবেন যেন সে নিজেদের স্বপ্নকে নিজের করা পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে পারে। একজন আত্মবিশ্বাসী (confident) শিশু কিভাবে তৈরি হয়, কিভাবে শিশুদের মধ্যে নিজের লক্ষ্য বাস্তাবায়নে সঞ্চয় করা শেখাতে হবে, কিভাবে শিশুর মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণের (self-control) শিক্ষা দিতে পারেন – এই বিষয়গুলো ধাপে ধাপে পুরো গাইডে আমরা তুলে এনেছি।

গাইডে উল্লেখ করা ৬ টি ধাপের ভিতরে ভিতরে আরও বিস্তারিত আর্টিকেল বা লেখার লিঙ্ক দেয়া হয়েছে যেগুলো ইতিমধ্যে আমরা প্রকাশ করেছি। পুরো গাইডকে আমরা ৬ টি ধাপে ভাগ করেছি। অভিভাবকরা একটি ধাপ শেষ করে আরেকটি ধাপে যেতে পারেন, অথবা এক সাথে দুই-তিনটি ধাপ নিয়েও শিশুর সাথে কাজ করতে পারেন। প্রতি ধাপে আপনাকে নির্দিষ্ট সময় দেয়ার কিছু নেই। আর এক ধাপ শেষ হয়ে গেলে পরে আর সেই ধাপে ফিরতে পারবেন না বা হবে না এমন নয়। শিশুরা নিয়মিত প্র্যাকটিসের মধ্যে না থাকলে ভুলে যায়। তাই সবসময় তাদেরকে সবগুলো ধাপের বিভিন্ন কাজগুলো তাদের সাথে নিয়মিতভাবে অভিভাবকরা করবেন।

এই গাইডটি প্রস্তুত করার সময় আমরা সিসিমপুরের ‘ইচ্ছে জমা করি’ প্রকল্পের মূল ম্যাসেজগুলো নিয়েছি। শিশুকে স্বপ্ন দেখতে উৎসাহ দেয়া, তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করা, পরিকল্পনা করতে সাহায্য করা, সঞ্চয় করতে শেখানো – ইত্যাদি ধাপগুলোর মাধ্যমে শিশুকে আত্মবিশ্বাসী হিসাবে গড়ে তোলা যায়

ঢাকার ৫০ টি স্কুলে ১৬,০০০ শিশু এবং ৮,০০০ অভিভাবককে লক্ষ্য করে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে Light of Hope. প্রোজেক্ট নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন অভিভাবকরা এই আর্টিকেলের শেষে।  

আত্মবিশ্বাসী করে শিশুকে গড়ে তোলার ধাপ 

প্রথম ধাপঃ

১) শিশুরা নিজেরা নিজেদের স্বপ্ন চিহ্নিত করতে পারবেঃ

প্রতিটি শিশুর নিজের কিছু স্বপ্ন থাকে। সেটি অনেক ছোট থেকে অনেক বড়ও হতে পারে। আবার স্বপ্নগুলো আগামী ২ মাসে বাস্তবায়ন করা যাবে এমন থেকে শুরু করে আরও ২০ বছর পরেরও হতে পারে। প্রথম ধাপের প্রথম কাজ হচ্ছে আপনি শিশুকে কিভাবে সাহায্য করবেন সে যেন তার স্বপ্নগুলো বা লক্ষ্যগুলো চিহ্নিত করতে পারে। কেউ হয়তো বলবে আমি লাল বলটি কিনতে চাই। আবার কেউ হয়তো বলবে আমার স্বপ্ন হল বড় হয়ে আমি ক্রিকেটার হতে চাই।

আপনার শিশুর লক্ষ্য বা স্বপ্নগুলো যাই হোক না কেন, অভিভাবক হিসাবে আপনার দায়িত্ব হচ্ছে সেগুলো সম্পর্কে জানা।

 

২) নিজেদের স্বপ্ন পূরণের জন্য পরিকল্পনা করতে পারবেঃ

আপনি যখন আপনার শিশুর লক্ষ্য বা স্বপ্নগুলো সম্পর্কে জেনে যাবেন এরপর আপনার কাজ হল আপনার সন্তানের স্বপ্ন পূরণে আপনি তাকে কিভাবে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করতে পারেন।

খেয়াল করুন, আমরা কিন্তু বলেছি ‘তার স্বপ্ন/লক্ষ্য পূরণে তাকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করার’ কথা। তাকে সবকিছুই আপনি করে দিবেন বা বলে দিবেন এমন নয় কিন্তু।

শিশুর স্বপ্ন পূরণে কিভাবে আপনি তাকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করতে পারেন সে সম্পর্কে আমাদের লেখা আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন এখানে।

শিশুর স্বপ্ন পূরণে কিভাবে উৎসাহ দিবো? 

দ্বিতীয় ধাপঃ

১) নিজেকে এবং অন্যকে সম্মান করবেঃ

প্রথম ধাপের কাজগুলো করার সময়কালীনও আপনি দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু করে দিতে পারেন। এখানে দুটি বিষয়ের উপর জোর দেয়া হচ্ছে। একটি হল শিশু যেন তার নিজের সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা থাকে। সে যেন নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করে। তার মধ্যে যেন আত্মবিশ্বাস থাকে।

ছোট শিশুরা প্রায়ই মন খারাপ করে যখন দেখে অন্য কেউ কিছু একটা পারে, কিন্তু সে ওটা পারে না। অনেক সময় অভিভাবকদের আচরণও খারাপ প্রভাব ফেলে। অনেকেই শিশুদের বলেন যে অমুক তো পরীক্ষায় এত ভালো করলো, আর তুমি তো পারলে না।

এত ছোট বয়সেই যখন শিশুকে অন্য আরেকটি শিশুর সাথে তুলনা শুরু করে দেয়া হয় এতে করে তার আত্মবিশ্বাস এবং নিজের প্রতি সম্মান অনেক কমে যায়। শিশুকে বরং এটি বুঝান যে তুমি এমন কিছু পারো যা অন্যরা হয়তো পারে না। তার জন্য তোমার গর্ব করা উচিত।

এবং নিজেকে সম্মান করার পাশাপাশি অন্য শিশুদেরকেও যেন সে সম্মান করে সেটির দিকে অভিভাবকদের নজর রাখতে হবে।

 

২) নিজের কাছে যা আছে বা নিজে যা পারে সেটি নিয়ে গর্ব করবে এবং তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা শিখবেঃ

এটি আগেরটার সাথে সম্পর্কিত। শিশু নিজে যা পারে অথবা তার নিজের যা আছে সেটি নিয়ে তার মধ্যে সন্তুষ্টি এবং গর্ব থাকে।

অনেক সময় দেখা যায় কোন একটা শিশু স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে বাবা-মাকে বলছে যে অমুকের কত সুন্দর একটা ব্যাগ আছে, কিন্তু আমার তো নেই। এইসব সময়ে অভিভাবকের তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে যে তোমার তো অমুক অমুক জিনিসটি আছে, সেটি তো আবার তোমার বন্ধুর কাছে নেই। এই কাজটি না করে আপনি যদি তখনই আরেকটা ব্যাগ তাকে কিনে দেন, তখন পরের দিন দেখবেন অন্য কারোর কাছে সে নতুন কিছু একটা দেখে সেটার বায়না ধরবে। এভাবে কোনদিনই তার চাহিদা মিটবে না এবং তার নিজের মধ্যে তার যা আছে সেটি নিয়ে সন্তুষ্টি আসবে না। এতে করে আপনার শিশুর মধ্যে বড় হওয়ার পরও এই সমস্যা থেকে যাবে।

 

Parenting নিয়ে অনলাইন কোর্স 

Parenting এর উপর বাংলাদেশে প্রথম অনলাইন কোর্স শুরু হয়েছে আমাদের Teachers Time এর পোর্টালে। এই অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে একজন অভিভাবক নিজের সন্তানের মানসিক বিকাশ সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা পাবেন। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে কোর্স করতে পারবেন যেকোনো সময় আপনার স্মার্টফোন থেকেই। নিচের ছবিতে ক্লিক করে চলে যান সরাসরি রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কে।

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক

 

তৃতীয় ধাপঃ

১) শিশুরা ‘দরকার’ এবং ‘চাওয়ার’ পার্থক্য বুঝবেঃ

কোন কিছু কেনাকাটা করতে গিয়েছেন, সাথে আপনার শিশু। কখনও খেলনা, কখনও চকলেট বা আইসক্রিম, কখনও বা নতুন জামার বায়না – একটা কিছু থাকবেই আপনার শিশুর। এমন অভিজ্ঞতা সব অভিভাবকদেরই আছে। সবসময় আমাদের কাছে শিশুর নতুন নতুন সব বায়না বা চাওয়া পূরণ করা সম্ভব হয় না আমাদের জন্য।

নিজেকে আত্মনিয়ন্ত্রণ (self-control) করার প্রথম ধাপ হল কোনটি শিশুর ‘দরকার’ এবং কোনটি তার ‘চাওয়া’ সেটির পার্থক্য বুঝতে পারা। আত্মনিয়ন্ত্রণ (self-control) শেখানো কেন এত গুরুত্বপূর্ণ সেটি জানার জন্য পরে ফেলুন আমাদের এই আর্টিকেলটি।

শিশুকে আত্মনিয়ন্ত্রণ শেখানো কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?  

২) তার নিজের ‘দরকার’ এবং ‘চাওয়া’ শনাক্ত করতে পারবেঃ

‘দরকার’ এবং ‘চাওয়ার’ পার্থক্য বোঝার পরের ধাপ হল তার নিজের ‘দরকার’ এবং ‘চাওয়া’ শনাক্ত করতে পারবে শিশু। সে যেন নিজে বুঝতে পারে এই মুহূর্তে হয়তো তার একটা নতুন পেন্সিল ‘দরকার’ আর নতুন খেলনাটি তার ‘চাওয়া’।

শিশুকে অভিভাবক হিসাবে আপনি কিভাবে ‘দরকার’ এবং ‘চাওয়া’ শেখাতে পারবেন সেটি জানার জন্য পড়ে ফেলুন আমাদের এই আর্টিকেলটি।

‘দরকার’ বনাম ‘চাওয়া’ – শিশুকে কিভাবে শেখাবেন? 

 

মেলার আসার জন্য ছবিতে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করুন।

 

চতুর্থ ধাপঃ

১) শিশু কোনও কিছু পাওয়ার আগে অপেক্ষা করা শিখবেঃ

এই ধাপে মূলত শিশুর আত্মনিয়ন্ত্রণ (self-control) নিয়ে কাজ করতে হবে। কোন কিছু পাওয়ার জন্য যে অপেক্ষা করতে হয় সে ব্যাপারটি শিশুকে শেখাতে হবে। সেটি তার প্রিয় খাবার থেকে শুরু করে কোন নতুন খেলনা পাওয়া – যেকোনো কিছুই হতে পারে।

২) শিশু কিভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সেটির কিছু কৌশল শিখবেঃ

শিশু যখন বুঝে যাবে যে চাওয়া মাত্রই সব কিছু পাওয়া যায় না, বরং সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তখন দায়িত্ব হচ্ছে কিভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় সেটির কিছু কৌশল শিখিয়ে দেয়া শিশুকে।

শিশুকে আত্মনিয়ন্ত্রণ (self-control) শেখানোর কিছু উপায় যেটি অভিভাবক নিজে অবলম্বন করতে পারেন সেগুলো পাবেন আমাদের এই লেখায়।

শিশুকে কিভাবে আত্মনিয়ন্ত্রণ শেখাবেন? 

পঞ্চম ধাপঃ

১) টাকা এবং অন্যান্য সম্পদের মূল্য সম্পর্কে জানবেঃ

টাকা নিয়ে শিশুদের সাথে কথা বলতে চান না অনেক অভিভাবক। অনেকেই মনে করেন শিশুদের সাথে টাকা নিয়ে কথা বলা উচিত নয়। এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। শিশুদের অল্প বয়স থেকেই টাকা কিভাবে উপার্জন হয়, টাকার মূল্য ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। অনেক শিশুর ধারণা টাকা আসে ATM Booth থেকে বা ক্রেডিট কার্ড থেকে। টাকা যে উপার্জন করতে হয় এবং টাকা যে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ থাকে সেই ধারণা শিশুর মধ্যে তৈরি না হলে সে বুঝতেই পারবে না তার জন্য কেন কোন জিনিস চাওয়া মাত্র কিনে দেয়া হয় না।

টাকার পাশাপাশি অন্যান্য সম্পদ যেমন পানি, ইলেক্ট্রিসিটি ইত্যাদি সম্পর্কেও ধারণা দিতে হবে। পানি বা ইলেক্ট্রিসিটি বাঁচানোর মাধ্যমেও যে সঞ্চয় করা যায় সে সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। এর বাইরে বিভিন্ন সম্পদের যে একটি মূল্য আছে সে সম্পর্কেও অবহিত করতে হবে।

 

২) সম্পদ সঞ্চয়ে এবং পুনরায় ব্যবহারে উৎসাহী হবেঃ

আগেই একবার বলা হয়েছে শিশুকে কিভাবে সম্পদ সঞ্চয়ে উৎসাহ দিতে হবে। টাকা শিশু নানাভাবে পায় – জন্মদিন বা ঈদের সালামি। শিশু নিজে কিভাবে টাকা সঞ্চয় করতে পারে এবং সেই সঞ্চিত টাকা দিয়ে তার লক্ষ্য পূরণে (নতুন খেলনা বা পছন্দের ব্যাগ কেনা) ব্যয় করতে পারে সে সম্পর্কে জানাতে হবে।

পুরাতন জিনিস নতুন করে ব্যবহার করার মাধ্যমে শিশু যে কেবল খরচ বাঁচানো শিখবে তা নয়, এতে করে তার মধ্যে অপচয় করার প্রবণতাও কমবে। Recycle, Reuse করার মাধ্যমে শিশুরা অনেক শিক্ষা পায় যেগুলো তার সৃজনশীলতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা তৈরিতেও সাহায্য করে।

ক্র্যাফটের কাজ করার মাধ্যমে অনেক সময় Recycle শেখানো যায় শিশুদের। অভিভাবকরা চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবসস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন। এখানে আমরা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ ক্র্যাফটের ভিডিও আপলোড করি।

শিশুকে কিভাবে সঞ্চয়ের জন্য উৎসাহ দিবেন সে সম্পর্কে জেনে নিন আমাদের এই লেখায়।

কিভাবে শিশুকে সঞ্চয় করতে উৎসাহ দিবো? 

ষষ্ঠ ধাপঃ

১) শিশু অন্যর সাথে ভাগাভাগি করা শিখবেঃ

শিশুদের যে কেবল সঞ্চয়, টাকা জমানো এবং সঠিকভাবে খরচ করার ধারণা দিবেন এমন নয়। এটার পাশাপাশি শিশুকে উৎসাহ দিন তার কোন জিনিস অন্যর সাথে ভাগাভাগি করার জন্য। শিশুরা প্রায়ই নিজের খেলনা অন্য কারোর সাথে শেয়ার করতে চায় না, এমনকি নিজের ছোটবড় ভাইবোনের সাথেও।

ছোটবেলার থেকেই শেয়ার করা বা অন্যর সাথে ভাগাভাগি করার জন্য উৎসাহ দিন। তাকে বুঝান যে আমরা একজন অন্য আরেকজনের সাথে ভাগাভাগি করলেই বরং মজা আরও বেশি হয়। এবং অনেক সময় আমরা যদি ভাগাভাগি না করি তাহলে সবাই সবকিছুর আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে।

শিশুকে অল্প বয়স থেকেই দান করতে উৎসাহ দিন। তার পুরাতন খেলনা বা বই অন্য কাউকে যার ‘দরকার’ তাকে দান করতে বলুন। ঢাকাতে Toys-R-Yours নামের একটি প্রোগ্রাম হয় যেখানে তারা বিভিন্ন স্কুলে পুরাতন খেলনা সংগ্রহ করে দরিদ্র শিশুদের স্কুলে বিতরণ করে। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও কেউ চাইলে পুরাতন খেলনা তাদের কাছে দান করতে পারে। শিশুকে নিয়ে আজকেই বাছাই করে ফেলুন তার ব্যবহার উপযোগী পুরাতন খেলনা বা কাপড় কি আছে যেটি দান করা যাবে।

 

উপরে উল্লেখ করা এই ধাপগুলো মেনে চলে আজকে থেকেই আপনার শিশুর সাথে কাজ শুরু করুন। আস্তে আস্তে আপনি আপনার শিশুর মধ্যে এমনসব পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন যে আপনার শিশুকে নিয়ে আপনার রীতিমত গর্ব হবে।

সিসিমপুরের ইউটিউব চ্যানেলে বেশ কিছু চমৎকার ভিডিও আছে যেগুলোর মাধ্যমে শিশুকে আপনি পরিকল্পনা করা, আত্মনিয়ন্ত্রণ করা, ভাগাভাগি করা, সঞ্চয় করা ইত্যাদি শেখাতে পারেন। নিচের ছবিতে ক্লিক করে সরাসরি চলে যান সিসিমপুরের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।

 

আপনার শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে আয়োজিত হচ্ছে Kids Time Fair 

আগামী ২৩-২৪ নভেম্বর আয়োজিত হচ্ছে Kids Time মেলা বাংলাদেশ শিশু একাডেমীতে। আপনার শিশুকে নিয়ে চলে আসুন আমাদের এই মেলায়।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের ছবিতে।

 

মেলায় আসার রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ 

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক 

 

………………………………………………………………………………………………………………………………………………..

 

মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের সাথে সিসেমি ওয়ার্কশপ, “ইচ্ছে জমা করি-পরিবারের আর্থিক ক্ষমতায়ন গড়ি” নামে একটি প্রকল্প শুরু করেছে যা পরিবারের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি উদ্যোগ। এই প্রকল্পটি শিশু ও তাদের পিতা-মাতা বা যত্নকারীদের লক্ষ্য নির্ধারণ, আকাঙ্ক্ষা তৈরি, পরিকল্পনা তৈরি এবং প্রতিদিন তারা য়ে পছন্দ তৈরি করে সেই স্বপ্ন অর্জনে সহায়তা করবে। শিশু ও তাদের পরিবারের জন্য সিসেমি স্ট্রীট এর বিষয়বস্তু, ভাষা সম্পর্কে ধারণা পেতে ও ব্যয়, সঞ্চয়, ভাগ ও দানের কার্যকরী কৌশলসমূহের সাথে পরিচিত হতে এটি একটি কার্যকরী উদ্যোগ।