শিশুর সাথে ক্র্যাফটিংয়ের কাজ করার ১০টি উপকারিতা

শিশুর সাথে ক্র্যাফটিংয়ের কাজ করার ১০টি উপকারিতা

September 8, 2017 crafting Creativity Parenting 2

 

Crafting যে খালি শিশুকে নিয়ে করা একটা মজার কাজ নয়, বরং crafting এর মাধ্যমে শিশুর সার্বিক মানসিক বিকাশ থেকে শুরু করে নানা ধরণের উপকার আছে সেটি অনেক অভিভাবকই অবহিত না। এই আর্টিকেলে আমরা crafting এর সেরা ১০ টি উপকারের কথা তুলে ধরেছি অভিভাবকদের জন্য।

আমাদের ক্র্যাফট কোর্সে মাঝে মাঝে ৬-৭ বছর বয়সী শিশুরা আসে অথচ তারা এখনও কাঁচি দিয়ে কাগজ কাটতে পারে না। অভিভাবকদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন যে কাঁচি দিয়ে কাগজ কাটতে যেয়ে যদি শিশুরা আঙুল কেটে ফেলে এই ভয়ে তারা কখনও কাঁচি ধরতে দেয় না।

অথচ কাগজ কাটাকাটি, রঙ নিয়ে মাখামাখি, বোতল কেটে কিছু বানানো বা আইসক্রিমের কাঠি ফেলে না দিয়ে ব্যাবহার করা – অর্থাৎ নানা ধরণের ক্র্যাফটের কাজগুলো শিশুদের অল্প বয়স থেকেই করা যে কত গুরুত্বপূর্ণ তা যদি অভিভাবকরা জানতেন তাহলে হয়তো ‘কাঁচি দিলে হাত কেটে যাবে’ জাতীয় অজুহাত দিতেন না।

 

ক্র্যাফটিং কেবল আপনার শিশুর ক্রিয়েটিভিটি বাড়ায় না, পাশাপাশি আপনার সাথে গড়ে তুলে চমৎকার একটি সম্পর্ক।

আমাদের একটি ক্র্যাফটে শিশুদের সুতা দিয়ে গেরো দিতে হয় কিছু জিনিস ঝুলানোর জন্য। অবাক হয়ে আমরা লক্ষ্য করলাম ১০ বছর বয়সী শিশুদের কেউ কেউ জানে না কিভাবে সুতা দিয়ে একটা গেরো দিতে হয়। আরও ছোটদের কথা বাদই দিলাম।

আজকের এই লেখার উদ্দেশ্য হল crafting এর উপকারিতা সম্পর্কে অভিভাবকদের একটু অবহিত করা। সেই সাথে কি ধরণের ক্র্যাফট করা যেতে পারে, কোথায় থেকে নিজে একটু শিখে নিতে পারেন এবং কোথায় থেকে ক্র্যাফটের জিনিসপত্র কেনা যেতে পারে সেই সম্পর্কেও একটু জানানো। চলুন তবে জেনে নেই crafting এর ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে।

 

১। মোটর স্কিল বাড়ায়

৩ বছর বয়স থেকেই আস্তে আস্তে শিশুদের মোটর স্কিল বাড়ানোর দিকে নজর দেয়া উচিত। আপাত দৃষ্টিতে খুব সাধারণ কাজ যেমন কাগজ থেকে নানাধরণের শেপ কাটা, কোন কিছু নিজে এঁকে রঙ করে সেটিকে কাটা, আঠা দিয়ে লাগানো, একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন ফলো করে কাটা ইত্যাদি শিশুদের হাত, চোখ এবং মস্তিষ্কের কো-অরডিনেশন করতে চমৎকার কাজ করে।

 

২। ক্রিয়েটিভিটি এবং প্রবলেম সল্ভিং স্কিল বাড়ায়

অনেক শিশু আছে যারা নিজেরা এবং তাদের অভিভাবকরা শিশুর ক্রিয়েটিভ স্কিল কোনদিকে সেটা বুঝতে পারে না। Crafting করতে যেয়ে অভিভাবকরা টের পান শিশুর কোন দিকে আগ্রহ বা স্কিল আছে। আর্ট বা ক্র্যাফটের এইসব কাজগুলোর মাধ্যমেই শিশুর আগ্রহের দিকগুলো উন্মোচিত হয়।

আবার ক্র্যাফটের নানা কাজ করতে যেয়ে শিশুদের বেশ অনেক ধরণের প্রবলেম সল্ভিং করতে হয়। ডিরেকশন ফলো করা, নিজের ব্রেইন খাটিয়ে কিছু যোগ করা এবং সবশেষে যখন একটা ফাইনাল প্রোডাক্ট দাঁড়া করানোর মাধ্যমে শিশুর প্রবলেম সল্ভিং স্কিল বাড়ে হু হু করে।

 

৩। টীমওয়ার্ক করতে শেখায়

Crafting এর কাজ করতে যেয়ে শিশু আপনার সাথে নানাভাবে টীমওয়ার্ক করে অথবা ছোট দলে অন্য কারো সাথে কাজ করতে যাওয়ার সময় নানা জিনিস শেয়ার করে, কখনও দুজন-তিনজন মিলে একটি জিনিস তৈরি করে। এতে করে সোশ্যাল স্কিল এবং টীমওয়ার্ক করার দক্ষতা বাড়ে।

৪। কনফিডেন্স বাড়ায়, চেষ্টা করতে শেখায় এবং ভুল করতে সাহস যোগায়

যখন শিশুরা Crafting এর কোন কাজ করে তখন সে করে নিজের মত করে। সেখানে কোন মার্কস নেই, নেই কোন ধরাবাঁধা নিয়ম অথবা সেরা জিনিস তৈরি করার প্রতিযোগিতা। আমরা শিশুদের স্কুলে দেয়ার পর থেকেই ভুল করাকে বরদাস্ত করি না। অংকতে ১০০ তে কেন ৯৬ পেল সেটি নিয়ে বকাঝকা করি। তাই শিশুদের মাঝে ‘ভুল করার’ ব্যাপারে চরম একটি আতংক বিরাজ করে। অথচ ভুল করার সাহস যদি সে ছোটবেলা থেকেই না পায় তাহলে এই আতংক সারাজীবন তার মধ্যে থেকে যাবে, কখনই সে নতুন কিছু চেষ্টা করতে চাবে না এবং নিজেকে নিজে তার কোন কনফিডেন্স থাকবে না।

ক্র্যাফটের কাজ করতে যেয়ে শিশু নিজে নিজে চেষ্টা করে, ভুল করে, আবার সেই ভুল শুধরিয়ে নতুন করে করার চেষ্টা করে। এরপর যখন আস্তে আস্তে নিজের উন্নতি সে নিজেই দেখতে পারে তখন তার মধ্যে কনফিডেন্স তৈরি হতে থাকে। শিশুকালে তৈরি হওয়া এই গুণগুলো সারাজীবন তাকে সাহায্য করবে আরও ভালো কিছু করতে, একজন সফল মানুষ হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে।

৫। ফোকাস, মনোযোগ এবং ধৈর্যশক্তি বাড়ায়

আজকাল প্রায়ই অভিভাবকদের থেকে অভিযোগ শুনি আমরা যে শিশুর মনোযোগ নাই, কোন কিছুতে বেশিক্ষণ ফোকাস দিতে পারে না, ধৈর্য নাই। এগুলোর বেশ কিছু কারণ আছে। যেমন ধৈর্যশক্তি কমে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে ছোটবেলা থেকেই চাহিবামাত্র শিশুর চাহিদা পূরণ করে ফেলা। কোন কিছু পেতে হলে যে ধৈর্য ধরতে হয় বা কষ্ট করে পেতে হয় সেই ব্যাপারটি তো আমরা অভিভাবকরা আমাদের সন্তানদের বুঝতেই দিতে চাই না। আজকে এই খেলনা চাইলো, কালকে আবার চাইলো আরেকটা, পরশু চেয়ে বসলো আরও একটা।

Crafting এর কাজ করতে যেয়ে শিশুদের অনেক বেশি ফোকাস দিতে হয়, মনোযোগ সহকারে কাজ করতে হয় আর ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয় ফাইনাল প্রোডাক্টটি রেডি হওয়া পর্যন্ত। এটি শিশুর নিজের বানানো একটি খেলনার মতই, কিন্তু এটি সে কষ্ট করে নিজে বানিয়েছে।

আপনার শিশুকে নিয়ে যদি উপরের কোন একটা ব্যাপারে চিন্তা থাকে তবে আমাদের সাজেশন হবে আপনি এখন থেকেই অল্প অল্প করে তার সাথে ক্র্যাফটের কাজ শুরু করে দিন।

৬। স্মার্টফোন আর ট্যাব আসক্তি থেকে বাঁচায়

এখন হয়তো কাজে ব্যাস্ত থাকলে বা বাচ্চা বেশি বিরক্ত করতে থাকলে ধরিয়ে দিচ্ছেন স্মার্টফোন বা ট্যাব। এরপর ১-২ বছর পর যখন শিশু ট্যাব ছাড়া আর কিছু বোঝে না তখন হা-হুতাশ করছেন।

ক্র্যাফটিং আপনাকে সেই হতাশা থেকে বাঁচাতে পারে। কিছু রঙিন কাগজ, রঙ পেন্সিল, কাঁচি, গাম কিনে দিন শিশুকে। প্রথমে কিছুদিন দেখিয়ে দিন কিভাবে ক্র্যাফটের কাজ করতে হয়। দরকার হলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে ঘুরে আসুন। নিজে শিখে নিন অথবা শিশুকে দেখিয়ে দিন। এরপর যখন আপনি সময় দিতে পারছেন না শিশুকে ক্র্যাফটের কাজ করতে বসিয়ে দিন। অনেককিছু শিখবে আর সাথে স্মার্টফোন থেকেও দূরে থাকবে।

৭। Crafting শিশুর stress কমায়

অল্প বয়স থেকেই শিশুকে পড়াশুনা নিয়ে আমরা এবং আমাদের স্কুলগুলো প্রচণ্ড stress এ রাখি। আমরা নিজেরাও আমাদের প্রতিদিনের জীবন নিয়ে স্ট্রেসে থাকি। আপনি যখন আপনার শিশুকে নিয়ে crafting করতে বসবেন দেখবেন আপনাদের দুজনেরই স্ট্রেস লেভেল অনেক কমে গেছে, অনেক রিলাক্স ফিল করছেন। প্রতিদিন না পারেন অন্তত সপ্তাহে ২-৩ দিন আপনার শিশুকে নিয়ে ১ ঘণ্টার জন্য crafting করতে বসেন আর পার্থক্যটা আপনি নিজেই যাচাই করুন।

৮। চমৎকার পারিবারিক সময় কাটানোর উপায়

মা-বাবা দুজন মিলে সন্তানের সাথে ক্র্যাফটের কাজ করছে – এর চেয়ে ভালো সময় কাটানোর উপায় কম আছে। ২-৩ হাজার টাকা খরচ করে ফাস্ট ফুডে গিয়ে খাওয়ার চেয়ে ১০০০ টাকা খরচ করে ক্র্যাফটের কিছু আইটেম কিনে ফেলুন। ২-৩ মাস চলে যাবে কমপক্ষে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল আপনার সন্তানের সাথে সম্পর্ক এতে যতটা গভীর হবে সেটি আপনি ১০ টা সিনেমা দেখে বা ১০বার কেফসিতে খেয়েও হবে না।

ক্র্যাফট আইটেম খোঁজা বেশ ঝামেলা। তাই আমরা অভিভাবকদের সুবিধার জন্য কয়েকটা আইটেম দিয়ে এক একটি প্যাকেজ বানিয়ে ফেলেছি বিভিন্ন বয়সী শিশুদের জন্য যেগুলো অভিভাবকরা আমাদের পার্টনার ToguMogu.com এর ওয়েবসাইটে গেলেই কিনে নিতে পারবেন।

1. Beginner Package (3-5 yrs): মূলত ৩-৫ বছর বয়সী শিশুদের কথা মাথায় রেখে এই প্যাকেজটি বানানো হয়েছে। প্যাকেজে কি কি আছে তা বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।

 

2. Advance Package (5-7 yrs): ৫-৭ বছর বয়সীদের কথা মাথায় রেখে বানানো এই প্যাকেজে বাড়তি কিছু আছে যাতে শিশুরা আরও বেশি কিছু কাজ করতে পারে। অভিভাবকরা অর্ডার করলে ফ্রি ডেলিভারি দিচ্ছে ToguMogu দেশের যে কোন জায়গায়। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন ছবিতে।

3. Craft Master Package (8+ yrs): Craft Master Package টি তৈরি করা হয়েছে যেসব শিশুরা ইতিমধ্যে ক্র্যাফট নিয়ে বছরখানিকের উপরে কাজ করছে এবং বয়স ৭-৮ বছর থেকে একটু বেশি। কিন্তু  এর চেয়ে কম বয়সীরাও চাইলে কিনতে পারেন। কিন্তু যেহেতু Glue-Gun এর ব্যবহার আছে এই প্যাকেজে আমরা বলবো যেন বড়রাও কাজ করার সময় থাকে।

প্যাকেজটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।

 

৯। শিশুরা তাদের ফিলিংস শেয়ার করতে শিখে

শিশুরা অনেক সময় নিজেদের ফিলিংসগুলো বলে বুঝাতে পারে না। Crafting এর নানা কাজের সময় শিশুরা তাদের ঐ মুহূর্তের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার সুযোগ পায় ক্র্যাফট আইটেমটি বানানোর সময়। ক্র্যাফটের এক একটি আইটেম এবং যে সময়ে সে করছে এর মাধ্যমে অভিভাবকরা নিজেদের শিশুদের ইমোশনাল প্রফাইল পেয়ে যেতে পারেন।

 

১০। স্কুলের কাজেও উন্নতি হয়

সবশেষের এই ব্যাপারটি দেখে অনেকেই হয়তো খুশি হবেন। জী, শিশুকে মাত্র স্কুলে যদি ভর্তি করিয়ে থাকেন তাহলে প্রথম ২-৩ বছর একটু crafting এ সময় দিন আপনার শিশুকে বাসায়। তাহলে প্রথম থেকেই দেখবেন আপনার শিশু স্কুলে অনেক কিছু পাড়ছে। ক্র্যাফটের কাজ করতে যেয়ে শিশুরা জ্যামিতি, অংক এবং সমস্যা সমাধান করতে শিখে। এগুলো তার স্কুলে রেজাল্ট ভালো করতেও সাহায্য করে।

সবকিছু তো জেনে গেলেন। এখন আর সময় নষ্ট না করে ক্র্যাফটের কিছু কিছু কাজ আজ থেকেই শুরু করে দিন। Crafting এর কিছু কাজ আমরা ইতিমধ্যে শিশুদের জন্য এবং অভিভাবকদের জন্য আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে দিয়ে রেখেছি। সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন সেখানে আর আপনার শিশুর সাথে শুরু করে দিন মজার সব ক্র্যাফট।

ইউটিউব চ্যানেল লিঙ্ক। 

 

আর আপনি নিজে পড়লেন, অনেক কিছু জানলেন। এবার শেয়ার করে অন্য অভিভাবকদের পড়ার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ।

 

এখন পুরো ব্যাপারটি শুরু করাটাই হচ্ছে আসল। প্রথমদিকে একটু ঝামেলা মনে হতে পারে। সেজন্য আপনি আপনার শিশুকে আমাদের ক্র্যাফট কোর্সে ভর্তি করিয়ে দিতে পারেন। আমাদের সবগুলো সেন্টারে Summer Batch এ ভর্তি চলছে।

…………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………..

শিশুদের সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আমাদের সেন্টারে আমরা নিয়মিত কোর্স রেখেছি ৪-৮ বছর বয়সের শিশুদের জন্য। আপনার শিশুকে নিয়ে চলে আসুন আপনার কাছের কোন একটি সেন্টারে। আমাদের সেন্টারগুলো ঢাকায় ধানমণ্ডি, উত্তরা, গুলশান এবং মিরপুর ডিওএইচএসে আছে এবং চট্টগ্রামেও রয়েছে।

আমাদের Kids Time সেন্টারগুলোতে আগামী ব্যাচের ভর্তি শুরু হয়েছে। ক্লাস শুরু হবে জানুয়ারি ২০১৯ থেকে। কিন্তু তার আগেই অভিভাবকদের সীট বুক করার জন্য রেজিস্ট্রেশন করে ফেলতে হবে। এরপর আমরা অভিভাবকদের ইন্টারভিউয়ের জন্য কল করবো।

আমাদের প্রতিটি সেন্টারে সীট খুব সীমিত। প্রতি ৫ টি আবেদনের মধ্যে ১ জন সাধারণত ভর্তির সুযোগ পায়। এবং আগে যারা আবেদন করেন তারাই আগে সুযোগ পাবেন ভর্তির ব্যাপারে।

বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

 

Parenting এর উপর বাংলাদেশে প্রথম অনলাইন কোর্স শুরু হয়েছে আমাদের Teachers Time এর পোর্টালে। এই অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে একজন অভিভাবক নিজের সন্তানের মানসিক বিকাশ সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা পাবেন। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে কোর্স করতে পারবেন যেকোনো সময় আপনার স্মার্টফোন থেকেই। নিচের ছবিতে ক্লিক করে চলে যান সরাসরি রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কে।

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://teacherstimebd.com/auth/register

…………………………………………………………………………………

আমাদের সেন্টারগুলোর ম্যাপ 

 

 

 

 

2 Responses

  1. banni says:

    উত্তরাতে আপনাদের কোন ব্রাঞ্চ আছে কি ?

  2. Kids Time Resource says:

    Yes. The address is House 44, Gausul Azam Avenue, Uttara, Sector 13. Feel free to call at 01771588494. Thanks.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *