শৈশবকালে শিশুর IQ বৃদ্ধি করার উপায়

শৈশবকালে শিশুর IQ বৃদ্ধি করার উপায়

July 17, 2018 Development 0

আপনি কি জানেন শিশুর মস্তিস্কের বিকাশ শুরু হয় গর্ভাবস্থা থেকেই। তাই শিশুর মস্তিস্কের বিকাশকে ত্বরান্বিত করার জন্যে মায়ের ভালো ভালো এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। পুষ্টি ব্যতীত, জেনেটিক্স এবং পরিবেশও (উদ্দীপনা) শিশুর মস্তিষ্ক বৃদ্ধি এবং উন্নয়নকে প্রভাবিত করে। যেহেতু জেনেটিক্সের উপর কারও হাত থাকে না তাই আমাদের উচিৎ সাধ্যমত শিশুকে পুষ্টি সরবরাহ করা। যদিও মস্তিস্কের বৃদ্ধি একটি Life long Process তাও একটি শিশুর মস্তিষ্কের বেশির ভাগ Development জন্মের পর  বছরের মধ্যেই হয়ে যায়।

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে পুষ্টি যেভাবে প্রভাব ফেলে-

গর্ভাবস্থায় সঠিক পুষ্টি শিশুর ভাল স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করে। শিশুর মস্তিষ্কের ৯০% বিকাশ ২ বছর বয়সের মধ্যেই ঘটে। DHA একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান যা মস্তিষ্কের কোষ এবং মস্তিষ্কের সংযোগগুলির উন্নয়নে সহায়তা করে। তবে আপনার বাচ্চার DHA অত্যন্ত অক্সিডেশন প্রবণ, অন্য কথায় বলা যেতে পারে, এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। সুতরাং একে সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন। এই DHA কে সুরক্ষিত রাখে ভিটামিন ই। সুতরাং বলা যেতে পারে ভিটামিন ই শিশুর চেতনা বা মস্তিষ্ক বিকাশে সাহায্য করে, যার ফলে শিশুর IQ ভাল হয়।

ভিটামিন ই এর উপকারিতাঃ

১. প্রথমত ভিটামিন ই অক্সিডেশন থেকে DHA কে রক্ষা করে। DHA একটি বিল্ডিং ব্লক হিসেবে মস্তিষ্কের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কিন্তু এটির অক্সিডেটিভ হয়ে যাবার আশঙ্কাজনক থাকে। ভিটামিন ই এক্ষেত্রে গার্ডের মত DHA কে রক্ষা করে লাইটেনের সাথে অক্সিডাইজড হওয়া থেকে।

২. কিছু কিছু খাবারের মধ্যে সিনথেটিক ভিটামিন ই থাকে কিন্তু তারা তেমন কার্যকর নয়। সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর হল ন্যাচারাল ভিটামিন ই।

৩. গবেষণায় দেখা গেছে যে, ন্যাচারাল ভিটামিন ই মস্তিস্কের সেসব অংশকে বেশি বিকশিত করে যা শিশুর মেমোরি এবং ভাষার উন্নয়নের সাথে জড়িত।

একটি শিশুর জীবনের প্রথম পর্যায়ে পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা তার মা ই সম্পূর্ণরূপে পূরণ করে থাকে। তবে আপনি কি জানেন, যে ইনফ্যান্ট ব্রেইন এক্সারসাইজও যে একটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে! নিচে এই ইনফ্যান্ট ব্রেইন এক্সারসাইজের সম্পর্কে বিস্তারিত আলচনা করা হলঃ

মস্তিষ্কের বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মস্তিষ্কের অনুশীলন বা ইনফ্যান্ট ব্রেইন এক্সারসাইজের ভূমিকাঃ

এটা জানা অতীব গুরুত্বপূর্ণ যে, ২ বছর বয়সী শিশুর শব্দভান্ডার যত উন্নত হয় তাদের মস্তিষ্কের উন্নয়ন বা আইকিউও তত ভাল হয়। তাই বাবা মায়েরা বাচ্চাদের সাথে যত বেশি কথা বলবে তত ভাল। ফেটাস অবস্থায়ও বাচ্চারা শব্দ শুনতে পারে। গবেষণায় যানা গেছে যে, ফেটাস অবস্থায় একটি শিশু তার মায়ের গলার স্বর চিনতে পারে কিন্তু তারা বাবা বা অন্যকারও আওয়াজের মধ্যে তফাৎ বুঝতে পারে না।

তাই বাবা মায়েরা যত বাচ্চাদের সাথে কথা বলবে তত তাদের শব্দভাণ্ডার দ্রুত বাড়ার সুযোগ থাকে যা মস্তিষ্কের বৃদ্ধিতে খুবই সহযোগিতা করে।

বাচ্চাদের ধারন ক্ষমতা বুঝে তাদের এক্টিভিটি বাড়ান। তাদের উপর বেশি চাপ দিবেন না। বাচ্চাদের প্রতিটি কাজ করার দক্ষতা অর্জন হবে সময়ের সাথে, প্রথম্ম প্রথম তারা আপনার কথা নাও বুঝতে পারে। তাই তাদের সাথে ধৈর্যের সাথে কাজ করুন।

আপনার শিশু কি আঁকাআঁকি করতে খুব ভালোবাসে? রঙপেন্সিল দিয়ে দাগিয়ে দেয়াল ভরিয়ে ফেলে?

তাহলে ওকে কিনে দিতে পারেন এই ডিজাইন নোটবুকটি। শিশুর মানসিক বিকাশে রঙ ও প্যাটার্নের ধারণাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রোডাক্টটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। 

 

 

 

 

Get amazing goofi series

You have successfully subscribed for Goofi series

There was an error while trying to send your request. Please try again.

Kids Time will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.